Header Ads Widget

Responsive Advertisement

স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা



দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাবেই নতুন করে দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট সকালে বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। নতুন এই মূল্য একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের ঘোষণায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার কারণে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও নির্ধারিত হয়েছে।

বিভিন্ন মানের স্বর্ণের নতুন দাম

বর্তমান নির্ধারিত দরে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির মূল্য ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম। ফলে নতুন এই দর অনুযায়ী যারা স্বর্ণালংকার কিনতে চান, তাদের আগের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।

এক ভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ১০৮ টাকা

নতুন মূল্য ঘোষণার আগে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের এক ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। এবার ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ ৮ আগস্ট স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত নতুন নির্ধারিত দাম দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কার্যকর থাকবে। তবে স্বর্ণালংকার তৈরির ক্ষেত্রে ডিজাইন ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হতে পারে।

চলতি বছরে বহুবার পরিবর্তন হয়েছে স্বর্ণের দাম

২০২৬ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবর্তন এসেছে। বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ১০১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫০ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

স্বর্ণের দাম ওঠানামার কারণে সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের মৌসুমে স্বর্ণের দামের পরিবর্তন ক্রেতাদের ব্যয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

এদিকে স্বর্ণালংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রযোজ্য ভ্যাট যুক্ত থাকার কারণে ক্রেতার কাছ থেকে একই ভ্যাট আলাদাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে বাজুস।

স্বর্ণের আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে ভবিষ্যতেও দেশের বাজারে মূল্য সমন্বয় হতে পারে। তাই স্বর্ণ কেনার আগে ক্রেতাদের সর্বশেষ নির্ধারিত বাজারদর জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Post a Comment

0 Comments